সুষম খাবার

স্বাস্থ্য সচেতনতা

অপকারী কোলেস্টেরল কমবে বাসায় বানানো জুসে


সাধারনত খাদ্যাভাসের কারনেই আমাদের দেহের এলডিএল বা অপকারী কোলেস্টেরলের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। কোমল পানীয়, ফাস্ট ফুড, অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবার, পনির এসব বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।


student of Computer Science and Engineering(CSE) ১৮ মার্চ ২০১৬, ১৩:৩০


স্বাস্থ্য সচেতন যে কোন মানুষেরই চিন্তা থাকে কোলেস্টেরল নিয়ে। মানুষের শরীরে সাধারণত ২ ধরনের কোলেস্টরেল লক্ষ্য করা যায়। একটা হলো HDL বা উপকারী আরেকটা হলো LDL বা অপকারী। এই LDL কোলেস্টরেল যদি বেড়ে যায় তাহলে, আমরা রক্তে কোলেস্টরেল বেড়ে যাওয়া বলি। আর রক্তে কোলেস্টেরল বেড়ে গেলে দেখা দেয় নানান্ন স্বাস্থ্য জটিলতা।

কোলেস্টেরল কি?

কলেস্টেরল এক ধরনের চর্বিজাতীয়, তৈলাক্ত স্টেরয়েড যা কোষের ঝিল্লি বা (সেল মেমব্রেনে)-এ পাওয়া যায় এবং যা সব প্রাণীর রক্তে পরিবাহিত হয়। স্তন্যপায়ী প্রাণীদের সেল মেমব্রেনের এটি একটি অত্যাবশ্যক উপাদান। এই উপাদান মেমেব্রেনের মধ্য দিয়ে তরল পদার্থের ভেদ্যতা সচল রাখেএবং তার তারল্য বজায় রাখে।

এছাড়াও কলেস্টেরল একটি জরুরি প্রিকার্সার মলিকিউল যা বাইল আসিড, স্টেরয়েড হরমোন এবং স্নেহজাতীয় পদার্থে দ্রাব্য ভিটামিনের জৈব সংশ্লেষ ঘটায়। কলেস্টেরল সবচেয়ে জরুরি স্টেরল যা প্রাণীদেহে সংশ্লেষিত হয়। কিন্তু অনান্য ইউকারইওট যেমন গাছপালা এবং ছত্রাকের দেহে এটি অল্প পরিমাণে সংশ্লেষিত হয়। প্রোক্যারিওট যেমন ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে এটি একবারেই দেখা যায় না।  

কেন বাড়ে অপকারী কোলেস্টেরল?

সাধারনত খাদ্যাভাসের কারনেই আমাদের দেহের এলডিএল বা অপকারী কোলেস্টেরলের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। কোমল পানীয়, ফাস্ট ফুড, অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবার, পনির এসব বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। 

অপকারী কোলেস্টেরল কমবে বাসায় বানানো জুসে!

হ্যা ঠিক তাই। আজ আপনাদের জানাবো এমনই এক জুসের কথা। কথা না বাড়িয়ে চলুন জেনে নেয়া যাক কি করে বানাবেন এই জুস। 

উপকরণঃ

  • রসুন- ৪ কোয়া।
  • লেবু- ৪ টি।
  • আদার পাউডার- ২ টেবিল চামচ।
  • পানি- ২ লিটার।

যেভাবে তৈরি করবেনঃ

  • সবার প্রথমে লেবুগুলো ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিন এবং কেটে নিন।
  • রসুনের কোয়াগুলোকেও ভালো করে ধুয়ে কেটে নিন।
  • এবার ব্লেন্ডারে লেবু, রসুন আর আদার পাউডার দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন ভালো করে। (আদার পাউডার না থাকলে আধা ইঞ্চি আদা দিতে পারেন)
  • এবার মিশ্রণের সাথে পানি যুক্ত করুন এবং চুলায় বসান।
  • উতরানো পর্যন্ত চুলায় রাখুন। উতরিয়ে উঠলে নামান এবং ঠান্ডা করুন।
  • ঠান্ডা হলে, ছেঁকে ফেলুন এবং বোতলে পানি সংরক্ষণ করুন।
কিভাবে পান করবেন?
  • প্রতিদিন দুই কাপ করে এই জুস খাবেন। একবার সকালে খালি পেটে এবং একবার বিকেল বা রাতের খাবার গ্রহণের আগে।
  • তিন সপ্তাহ এভাবে পান করার পর। এক সপ্তাহের বিরতি নিবেন।

অপকারী কোলেস্টেরল থেকে মুক্তি পেতে কেবল এই জুস পান করলেই হবেনা। খাদ্যাভাসে আনতে হবে পরিবর্তন। সেটা নিয়ে নাহয় আরেকদিন লিখবো। সুস্থ থাকুক। সুস্থ দেহে বাঁচুন।  


এখানে প্রকাশিত প্রতিটি লেখার স্বত্ত্ব ও দায় লেখক কর্তৃক সংরক্ষিত। আমাদের সম্পাদনা পরিষদ প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে এখানে যেন নির্ভুল, মৌলিক এবং গ্রহণযোগ্য বিষয়াদি প্রকাশিত হয়। তারপরও সার্বিক চর্চার উন্নয়নে আপনাদের সহযোগীতা একান্ত কাম্য। যদি কোনো নকল লেখা দেখে থাকেন অথবা কোনো বিষয় আপনার কাছে অগ্রহণযোগ্য মনে হয়ে থাকে, অনুগ্রহ করে আমাদের কাছে বিস্তারিত লিখুন।