খাওয়া দাওয়া

স্বাস্থ্যগুণ

কাঁচা আমের হরেক গুণ


কাঁচা আম শক্তিশালী শীতলকারক হিসেবে কাজ করতে পারে। পাশাপাশি শরীরে তরলের মাত্রা ঠিক রাখতে সহায়ক।


DVM (Doctor of Veterinary Medicine). ০৯ এপ্রিল ২০১৬, ০১:১৫


ফলের মধ্যে আম সব বয়সের লোকেদের কাছেই পছন্দের। এর নাম শুনলেই মুখে লালা এসে যায়। পাকা আমের চেয়ে কাঁচা আম পুষ্টিগুণে ভরপুর। কাঁচা আম মুখের ব্রণ দূর করে, হজম শক্তি বাড়ায়, হিটস্ট্রোক সহ আরো অনেক উপকার করে।

চলুন জানা যাক কাঁচা আমের গুণ:

ব্রণ থেকে রক্ষা করে: কাঁচা আমের এস্ট্রিনজেন্ট ক্ষমতা থাকায় তা ত্বকের ছিদ্রে ধূলাবালি অথবা তেলের স্তর জমতে বাঁধা দেয়। ব্রণ থেকে বাঁচতে কাঁচা আম প্রথমে গরম পানিতে সিদ্ধ করে সেই পানি রাতে শোয়ার পূর্বে মুখে লাগিয়ে নিবেন। খুব সকালে ঘুম থেকে উঠে হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিবেন। 

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ: কাঁচা আমে পটাশিয়াম রয়েছে। যা ইলেক্ট্রোলাইটের মাত্রা ঠিক রাখে। যার দরুণ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং হৃদপিণ্ডের অনেক ধরনের রোগের তীব্রতা কম হয়।

হজমে সহায়ক: কাঁচা আমে কিছু পরিবর্তনশীল যৌগিক পদার্থ ও ফাইবার বা আঁশ রয়েছে যা পাচক রস উৎপন্ন করতে সহায়তা করে। ফলে পেটের অনেক ধরনের সমস্যা দূর হয়। এজন্য পেটের সমস্যায় কাঁচা আম জলখাবার বা তরকারিতে মিশিয়ে খাওয়া যায়।

হিটস্ট্রোক থেকে মুক্তি: কাঁচা আম শক্তিশালী শীতলকারক হিসেবে কাজ করতে পারে। পাশাপাশি শরীরে তরলের মাত্রা ঠিক রাখতে সহায়ক। এজন্য গরমকালে যদি কখনও হিটস্ট্রোকের লক্ষণ প্রকাশ পায় তবে দ্রুত এক গ্লাস কাঁচা আমের শরবত পান করে নিবেন।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি: সাধারণত মৌসুম পরিবর্তনের সময় যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে তারা দ্রুত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। তাই এ সমস্যা থেকে রক্ষা পেতে আপনার খাবারে কাঁচা আম রাখতে পারেন। আমে প্রচুর ভিটামিন সি ও এন্টি-অক্সিডেন্ট থাকায় তা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং রোগের সংক্রমণ ক্ষমতা কমায়।

ত্বকের জন্য উপকারি: অনেকেই জানেন না যে কাঁচা আম ত্বকের জন্য অনেক উপকারি। এতে থাকা এন্টি-অক্সিডেন্ট ত্বকের উজ্জলতা বাড়ায় এবং শরীরে বয়সের ছাপ পড়তে বাঁধা দেয়। এজন্য কাঁচা আমের সালাদ অবশ্যই খাবেন। 

কাঁচা আম ঝড়ের সময় আপনিই পড়ে যায়। সেগুলো কুড়িয়ে এনে তা খাওয়া যায়। এই আম কুড়ানোর মজাই আলাদা। তাই আসছে বৈশাখে আম কুড়ানোর মজাও নিন। পাশাপাশি আমের উপকারিতাও লাভ করুন। সুস্থ থাকুন সবাই এই কামনায় শেষ করছি।


এখানে প্রকাশিত প্রতিটি লেখার স্বত্ত্ব ও দায় লেখক কর্তৃক সংরক্ষিত। আমাদের সম্পাদনা পরিষদ প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে এখানে যেন নির্ভুল, মৌলিক এবং গ্রহণযোগ্য বিষয়াদি প্রকাশিত হয়। তারপরও সার্বিক চর্চার উন্নয়নে আপনাদের সহযোগীতা একান্ত কাম্য। যদি কোনো নকল লেখা দেখে থাকেন অথবা কোনো বিষয় আপনার কাছে অগ্রহণযোগ্য মনে হয়ে থাকে, অনুগ্রহ করে আমাদের কাছে বিস্তারিত লিখুন।